মঙ্গল দোষ কী?
মঙ্গল দোষ তৈরি হয় যখন মঙ্গল গ্রহ কুণ্ডলীর ১, ২, ৪, ৭, ৮ বা ১২তম ভাবে থাকে (লগ্ন থেকে গণনা)। এই অবস্থাকে মাঙ্গলিক দোষ বলা হয়।
মঙ্গল দোষের প্রভাব মঙ্গলের অবস্থান, রাশি এবং অন্যান্য গ্রহের দৃষ্টির উপর নির্ভর করে।
ক্যালকুলেটর
আপনার জন্ম কুণ্ডলীতে মঙ্গল দোষ ক্যালকুলেট করুন। মাঙ্গলিক দোষের ধরন, প্রভাব ও উপায় জানুন।
আপনার কুণ্ডলীতে মঙ্গলের বিশ্লেষণ চলছে...
মঙ্গল দোষ (মাঙ্গলিক দোষ) তৈরি হয় যখন আপনার জন্ম কুণ্ডলীতে মঙ্গল গ্রহ কিছু বিশেষ ভাবে থাকে। এই ক্যালকুলেটর পরীক্ষা করে আপনার কুণ্ডলীতে মঙ্গল দোষ আছে কি না, কী ধরনের, এবং বিবাহের উপর এর প্রভাব কী হবে।
মঙ্গল দোষ তৈরি হয় যখন মঙ্গল গ্রহ কুণ্ডলীর ১, ২, ৪, ৭, ৮ বা ১২তম ভাবে থাকে (লগ্ন থেকে গণনা)। এই অবস্থাকে মাঙ্গলিক দোষ বলা হয়।
মঙ্গল দোষের প্রভাব মঙ্গলের অবস্থান, রাশি এবং অন্যান্য গ্রহের দৃষ্টির উপর নির্ভর করে।
প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, মাঙ্গলিক ব্যক্তির সাথে বিবাহ করলে জীবনসঙ্গীর কষ্ট হতে পারে — স্বাস্থ্য, দাম্পত্য জীবন বা অগ্রগতিতে।
তবে অনেক আধুনিক জ্যোতিষী মনে করেন মঙ্গল দোষের প্রভাব প্রতিটি কুণ্ডলীতে এক রকম নয় — দোষের ভঙ্গ (উপায়) হতে পারে।
মঙ্গল দোষের উপায়: মঙ্গলবারের ব্রত, হনুমান চালিশা পাঠ, মঙ্গল গ্রহের মন্ত্র জপ (ওঁ ক্রাং ক্রীং ক্রৌং সঃ ভৌমায় নমঃ), লাল মসুর দান, প্রবাল ধারণ (বিশেষজ্ঞের পরামর্শে)।
বিয়ের আগে কুণ্ডলী মিলনে মঙ্গল দোষের পরীক্ষা প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হয়।